বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডস লিমিটেডের উৎপাদন কার্যক্রম ২০১৬ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে। এর পরও কোম্পানটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। ডিএসইর সাপ্তাহিক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, বাংলাদেশ ওয়েল্ডিংয়ের শেয়ারদর গত সপ্তাহে ২৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ বেড়েছে। সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির দর দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকায়, আগের সপ্তাহে যা ছিল ১৪ টাকা ৮০ পয়সা। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৬ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ১৯ টাকা ৪০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করেছে।
অস্বাভাবিক দর বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে গত ২২ ডিসেম্বর কোম্পানিটিকে চিঠি দেয় ডিএসই। জবাবে কোম্পানিটি জানিয়েছে, অপ্রকাশিত কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারদর বাড়ছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং সমাপ্ত ২০১৮-১৯ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে। সমাপ্ত ২০১৭-১৮ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ২০১৬-১৭ হিসাব বছরেও কোনো লভ্যাংশ পায়নি কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
১৯৯৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বাংলাদেশ ওয়েল্ডিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪৩ কোটি ৩৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা।
রিজার্ভে রয়েছে ৬ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪ কোটি ৩৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩০৫। এর ৩১ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২ দশমিক ৮৮, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৭২ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬৫ দশমিক ৩৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।